Showing posts with label আমার লেখা ছড়া-কবিতা. Show all posts
Showing posts with label আমার লেখা ছড়া-কবিতা. Show all posts
Friday, July 29, 2022
Sunday, July 24, 2022
চরম ধমক
চরম ধমক
রাজকুমার ঘোষ # ২২.০৫.২২
রাজনীতির ছত্রছায়া, মাথায় ছিল পোকা,
নেতা হতেই হম্বিতম্বি, সুযোগ বুঝে ধোঁকা !
পা এর তলায় কাটিয়ে জীবন
বুলিতে বোঝাতো মূল্যবান
নিজের আখের গুছিয়েছে বটে,
পরিশেষে, সেই শূন্যস্থান।
হায়রে কপাল সুবিধাবাদি, এতো পেয়েও কান্না!
সাধারণের চোখের জলে ভোগবিলাসের রান্না
ঘুষের টাকা পকেটে ভরে
আওড়ায় নীতি কথা৷
যোগ্য যে জন হতাশ হয়ে
খোঁজেন নিজের সত্তা।
মিশেল তবে ভণ্ড নেতা, দেখাল বটে চমক!
অপেক্ষার অবসান যে, জুটল চরম ধমক।
Saturday, July 23, 2022
Thursday, July 21, 2022
Tuesday, July 19, 2022
Friday, July 15, 2022
Tuesday, May 19, 2020
কবিতা - পূর্ণ জননী
রাজকুমার_ঘোষ -
সাধনাই তো বটে...
কত গঞ্জনার পর
কোল আলো করে তুই এসেছিলিস...
বুক ভরা মমতায় নিজেকে সঁপে দিয়েছি,
লালনে পালনে, লাগামছাড়া স্নেহতে তোকে ভাসিয়েছি...
মেপে দেখিনি গভীরতা ।
শাসনের ঘেরাটোপে তোকে বন্দি করেও রাখিনি,
দলছুট হয়ে তুইও এগিয়ে গেছিস বাঁধনছাড়া উল্লাস নিয়ে...
মেতেছিস নানা অবক্ষয়ের খেলাতে...
স্নেহে অন্ধ হয়ে আমিও
তোর আগুনে খেলার মত্ততা নিয়ে কখনো ভাবিনি...
তোর বাবার চোখ রাঁঙানিকেও বারে বারে উপেক্ষা করে গেছি...
সামাজিক দায়বদ্ধতায় একরাশ হতাশা নিয়ে
তোর বাবাও অকালে চলে গেলো...
আমিও বুঝতে পারলাম
কিন্তু কফিনের শেষ পেরেক লাগানো তো প্রায় শেষ...
চোখের সামনে চিতায় তোকে জ্বলতেও দেখলাম...
কাঁদলাম...... খুব কাঁদলাম...
কিন্তু এ কান্না মমতার নয়, তোকে হারাবারও নয়...
শুধুই হতাশা,
যে হতাশা আমার লজ্জার, আমার মাতৃত্বের অপূর্ণতার...
সঠিক জননী না হতে পারার হতাশা ।
এ জন্মে যা আমাকে গ্রাস করে যাবে...
“হে ভগবান...পরজন্ম দাও,
খোকার পূর্ণ জননী হওয়ার একবার সুযোগ করে দাও...”
----------------------
ভাই শ্রীকৃষ্ণ দে সম্পাদিত প্রভাতী পত্রিকা ব্লগে বিকেলের পাতায় আজ প্রকাশিত
Saturday, May 16, 2020
কবিতা - মুক্ত ভুবনের আহ্বান
রাজকুমার ঘোষ # ১৫.০৫.২০২০
সব কিছু আজ থমকে গেছে,
জীবনটা গতিহীন
অচেনা অদেখা শত্রুর কাছে
আমরা পরাধীন।
বসে থেকে ছাদে, উদাস মনে
তাকাই আসমানে
ছুটে চলে চাই, তখনই ভাবি,
যাই বা কোনখানে?
ঠাকুর, আল্লা, গড যে আজ
সকলেই অসহায়
ঘরের মধ্যে বন্দী সবাই
প্রাণ রাখাটাই দায়৷
প্রাণঘাতী এক মারণ রোগের
জন্ম দিয়েছে চিন
তারই জেরে কাঁপছে বিশ্ব
কাটাচ্ছে দুর্দিন।
মৃত্যু ভয় দানা বেঁধেছে
সারা বিশ্বের মাঝে
সর্দি-জ্বর, কাশির ওষুধ
লাগে না কোনো কাজে
এমন ব্যাধিতে ধুঁকছে মানুষ
খুঁজছে প্রতিষেধক
সবার কাছে ভগবান তাই
নার্স ও চিকিৎসক
বুদ্ধিজীবী, নেতা-মন্ত্রীও
হয়ে গেছে দুর্বল
এইতো সময় পাশে থেকে
বাড়াবে মনোবল
জনগণ আজ সহায়হীন
অজানা আতঙ্কে গ্রাস
অপেক্ষা শুধু সেই দিনটার
রইবেনা করোনা ত্রাস
কবেই বা আসবে সেই দিন,
মুক্ত এ ভুবনে ফিরে
মৃত্যুভয় আর বন্দীজীবন
থাকবে না আর ঘিরে।
সব কিছু আজ থমকে গেছে,
জীবনটা গতিহীন
অচেনা অদেখা শত্রুর কাছে
আমরা পরাধীন।
বসে থেকে ছাদে, উদাস মনে
তাকাই আসমানে
ছুটে চলে চাই, তখনই ভাবি,
যাই বা কোনখানে?
ঠাকুর, আল্লা, গড যে আজ
সকলেই অসহায়
ঘরের মধ্যে বন্দী সবাই
প্রাণ রাখাটাই দায়৷
প্রাণঘাতী এক মারণ রোগের
জন্ম দিয়েছে চিন
তারই জেরে কাঁপছে বিশ্ব
কাটাচ্ছে দুর্দিন।
মৃত্যু ভয় দানা বেঁধেছে
সারা বিশ্বের মাঝে
সর্দি-জ্বর, কাশির ওষুধ
লাগে না কোনো কাজে
এমন ব্যাধিতে ধুঁকছে মানুষ
খুঁজছে প্রতিষেধক
সবার কাছে ভগবান তাই
নার্স ও চিকিৎসক
বুদ্ধিজীবী, নেতা-মন্ত্রীও
হয়ে গেছে দুর্বল
এইতো সময় পাশে থেকে
বাড়াবে মনোবল
জনগণ আজ সহায়হীন
অজানা আতঙ্কে গ্রাস
অপেক্ষা শুধু সেই দিনটার
রইবেনা করোনা ত্রাস
কবেই বা আসবে সেই দিন,
মুক্ত এ ভুবনে ফিরে
মৃত্যুভয় আর বন্দীজীবন
থাকবে না আর ঘিরে।
কবিতা - ফেসবুকে হট্টগোল
ফেসবুকের ওয়ালে দিচ্ছো কতই পোস্ট
আশা করছো অনেক হবে লাইক-কমেন্ট-শেয়ার
অন্য কারোর পোস্ট এড়িয়ে যাচ্ছ দোস্ত,
নিজের ঢাক নিজেই পিটে হয়না কোনো পেয়ার।
গ্রুপ-পেজের আমন্ত্রণে হচ্ছো বড়ই বিরক্ত
ফেসবুকেতে আছো যখন মানতে হবে প্রোটোকল
উপায় আছে বলি তবে, মনটা করো শক্ত
ফ্রেন্ডলিস্ট ফাঁকা করলেই, হবেনা আর হট্টগোল!
@রাজকুমার ঘোষ
#১৫.০৫.২০২০
Monday, May 20, 2019
কবিতা - বাহানা
রাজকুমার ঘোষ -
সগৌরবে বলে দেশ আমার মহান
নজর তার শুধুই একমাত্র গদি
ক্ষমতার লোভে ভাবে হাতে আসে যদি
অন্ধ সেজে ব্রাত্য থাকে সেনাদের জান
সীমান্তের যুদ্ধে যারা বাঁচায় সম্মান
ঠান্ডা ঘরের আবদ্ধে বেশ আছো বন্দি
হাজার যত বাহানা মনে কত ফন্দি
মাতৃভূমির স্বার্থতে হয়ে থাকে ম্লান।।
প্রতিবেশী দেশ শুধু করে আস্ফালন
সন্ত্রাস চালিয়ে যায়; সেনাদের রক্ত
উপত্যকা শুনশান; ভীত জনগণ
তবুও সে থাকে চুপ নেই কোনো মন
ক্ষমতা পেতেই হবে করেছে যে পণ
লোক দেখানো অশ্রুতে গদি করে শক্ত।।
সগৌরবে বলে দেশ আমার মহান
নজর তার শুধুই একমাত্র গদি
ক্ষমতার লোভে ভাবে হাতে আসে যদি
অন্ধ সেজে ব্রাত্য থাকে সেনাদের জান
সীমান্তের যুদ্ধে যারা বাঁচায় সম্মান
ঠান্ডা ঘরের আবদ্ধে বেশ আছো বন্দি
হাজার যত বাহানা মনে কত ফন্দি
মাতৃভূমির স্বার্থতে হয়ে থাকে ম্লান।।
প্রতিবেশী দেশ শুধু করে আস্ফালন
সন্ত্রাস চালিয়ে যায়; সেনাদের রক্ত
উপত্যকা শুনশান; ভীত জনগণ
তবুও সে থাকে চুপ নেই কোনো মন
ক্ষমতা পেতেই হবে করেছে যে পণ
লোক দেখানো অশ্রুতে গদি করে শক্ত।।
প্রকাশিত - বিবস্বান, বৈশাখী সংখ্যা, মে, ২০১৯
Saturday, April 6, 2019
কবিতা - মোহিনী কথা
রাজকুমার ঘোষ -
অন্ধকার ঐ গলিতে মোহিনীরা
লাস্যময়ী হয়ে
প্রতিদিন কত রূপে দাঁড়িয়ে থাকে !
কামুকদের লোভাতুর চাহনি
স্পর্শ করে যায় ।
কয়েক বসন্ত পেরিয়ে আবার
কোনো এক মোহিনী আজ
পরিপূর্ণা নারী
অজানা নেশায় মত্ত হয়ে
ঘর-বাড়ি-পরিবার ভুলে যায় ।
সন্তানের ‘মা’ ডাক বারেবারে
উপেক্ষা করে
সে তার মাতৃত্বকে অস্বীকার
করে যায় !
শরীরি চাহিদার নিবৃত্তে বিলিয়ে
দেয় তার সতীত্ব ।।
সবার মাঝে চলার পথে
ভান করে কতই না মানে
রীতি-নীতি...!
চেনা গন্ডির বাইরে বেরিয়েই
মোহিনীর প্রবৃত্তি প্রকটিত হয়।
চারিদিকে নারী-স্বাধীনতার বুলি,
সম্মানের মিথ্যে বড়াই,
তবুও কলঙ্কের বোঝা নিয়ে
কিছু মোহিনীরা আজও সমাজচ্যুত!!
প্রকাশিতঃ সবুজ কথা, ডিসেম্বর, ২০১৮
এই গদ্য কবিতাটিকে একটি অন্য ফর্মাটে নিয়ে এলাম।
মোহিনী কথা
রাজকুমার ঘোষ # ৭.৪.২০১৯
অন্ধকারের গলিতে দাঁড়িয়ে কত মোহিনী!
রূপের ঝলক, গতর নিয়ে লাস্যময়ী হয়ে
নিয়ম করে প্রতিদিনে সাথে নেয় সঙ্গিনী।
রূপের যত ঝলকানীতে বাবুরা যান বহে
কামুক মন লুব্ধ চাউনি স্পর্শ করে শরীর
পেটের খিদে মিটবে বটে সবকিছু যে সহে
কোনো এক মোহিনী আজ হয়েছে অস্থির
কয়েক বসন্ত পেরিয়ে সে পরিপূর্ণা নারী
অজানা নেশায় মত্ত, বাবুরা বাড়ায় ভীড়।
ঘর-পরিবার ভুলে সে দিয়েছে যে পারি
উপেক্ষা করেছে সে সন্তানের ‘মা’ ডাক
মাতৃত্বকে অস্বীকার এ কেমন দেখনদারী!
শরীরি চাহিদা মেটে সতীত্ব চুলোয় যাক
সখ-আহ্লাদ পূরণ হয়ে আসবে টাকার থোক
সংসার আজ রসাতলে, তবুও সে নির্বাক।
সবার মাঝে চলার পথে নামিয়ে রাখে চোখ
লোক সমাজে ভান করে কতই না মানে নীতি।
চেনা গন্ডির বাইরে গিয়ে বাড়ায় নিজের ঝোঁক।
নারী-স্বাধীনতার মিথ্যে বড়াই, ঠুনকো যত রীতি
কিছু মোহিনী আজও বইছে কলঙ্কিত তার স্মৃতি।
রূপের ঝলক, গতর নিয়ে লাস্যময়ী হয়ে
নিয়ম করে প্রতিদিনে সাথে নেয় সঙ্গিনী।
রূপের যত ঝলকানীতে বাবুরা যান বহে
কামুক মন লুব্ধ চাউনি স্পর্শ করে শরীর
পেটের খিদে মিটবে বটে সবকিছু যে সহে
কোনো এক মোহিনী আজ হয়েছে অস্থির
কয়েক বসন্ত পেরিয়ে সে পরিপূর্ণা নারী
অজানা নেশায় মত্ত, বাবুরা বাড়ায় ভীড়।
ঘর-পরিবার ভুলে সে দিয়েছে যে পারি
উপেক্ষা করেছে সে সন্তানের ‘মা’ ডাক
মাতৃত্বকে অস্বীকার এ কেমন দেখনদারী!
শরীরি চাহিদা মেটে সতীত্ব চুলোয় যাক
সখ-আহ্লাদ পূরণ হয়ে আসবে টাকার থোক
সংসার আজ রসাতলে, তবুও সে নির্বাক।
সবার মাঝে চলার পথে নামিয়ে রাখে চোখ
লোক সমাজে ভান করে কতই না মানে নীতি।
চেনা গন্ডির বাইরে গিয়ে বাড়ায় নিজের ঝোঁক।
নারী-স্বাধীনতার মিথ্যে বড়াই, ঠুনকো যত রীতি
কিছু মোহিনী আজও বইছে কলঙ্কিত তার স্মৃতি।
Friday, March 15, 2019
কবিতা- মনের ক্যানভাসে
রাজকুমার ঘোষ -
তখন
মানবতার মিলনমেলায় বুকভরা ছিল শান্তি...
কত জাতির শৌর্যে ছিলনা মনে ক্লান্তি
মিলনসুরের আবহে হৃদয় নাচতো আনন্দে
সর্বজনের ধর্মে কর্মে শরীর ছিল ছন্দে ।
কিন্তু
কীভাবে আমার বুক দাপিয়ে আজ চলছে রক্তলীলা
কীভাবে আমার মন নিয়ে আজ করছে ছেলেখেলা
কীভাবে আমার হৃদয় মাঝে আজ হচ্ছে ছারখার
কীভাবে আমার শরীর আজ হাজার ক্ষতের বাহার !
কে জানে
কার অভিশাপে আমার এ বুক হয়েছে রক্তে লাল
কার অভিযোগে আমার এ মন ভয়েতেই নাজেহাল
কার অবিচারে আমার এ হৃদয় ভেঙ্গে চুরমার...
কার অভিপ্রায়ে আমার এ শরীর কলঙ্কের আধার !
অনুরোধ
জন্ম নিলি আমার ঘরে করিসনিকো তার ছেদ
মাতৃমনের ভাবনা নিয়ে কেন এই ভেদাভেদ
হৃদয়জুড়ে খুশি নিয়ে ভুলে যাস নিজের স্বার্থ
মায়ের ডাকে সাড়া দিলেই বুঝবি সবই নিরর্থ ।
প্রকাশিত - সবুজ কথা পত্রিকা, ডিসেম্বর, ২০১৫
তখন
মানবতার মিলনমেলায় বুকভরা ছিল শান্তি...
কত জাতির শৌর্যে ছিলনা মনে ক্লান্তি
মিলনসুরের আবহে হৃদয় নাচতো আনন্দে
সর্বজনের ধর্মে কর্মে শরীর ছিল ছন্দে ।
কিন্তু
কীভাবে আমার বুক দাপিয়ে আজ চলছে রক্তলীলা
কীভাবে আমার মন নিয়ে আজ করছে ছেলেখেলা
কীভাবে আমার হৃদয় মাঝে আজ হচ্ছে ছারখার
কীভাবে আমার শরীর আজ হাজার ক্ষতের বাহার !
কে জানে
কার অভিশাপে আমার এ বুক হয়েছে রক্তে লাল
কার অভিযোগে আমার এ মন ভয়েতেই নাজেহাল
কার অবিচারে আমার এ হৃদয় ভেঙ্গে চুরমার...
কার অভিপ্রায়ে আমার এ শরীর কলঙ্কের আধার !
অনুরোধ
জন্ম নিলি আমার ঘরে করিসনিকো তার ছেদ
মাতৃমনের ভাবনা নিয়ে কেন এই ভেদাভেদ
হৃদয়জুড়ে খুশি নিয়ে ভুলে যাস নিজের স্বার্থ
মায়ের ডাকে সাড়া দিলেই বুঝবি সবই নিরর্থ ।
প্রকাশিত - সবুজ কথা পত্রিকা, ডিসেম্বর, ২০১৫
Thursday, March 7, 2019
নারী
রাজকুমার ঘোষ -
একের মধ্যে তোমার ভিন্ন রূপ ... তুমি নারী
প্রতিদিনের মত আজও তুমি উজ্জ্বল...
শুধুই কি এই বিশেষ দিন, যেখানে তোমার মাহাত্ম্য সারাবিশ্বজুড়ে
কেন নয় প্রতিদিনের এই জীবনযুদ্ধে?
তুমি তো জানোই তোমার এই ভিন্ন রূপ...
কখনো তুমি স্নেহময়ী মা,
হাজারও সমস্যা ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে
যাঁর কোলে মাথা দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে থাকা যায় ।
কখনো তুমি বোন বা দিদি,
যাদের বলা কথাগুলো উহ্য রেখে
নিজের মনের কথা উন্মুক্ত ভাবে বলা যায় ।
কখনো তুমি স্ত্রী,
যার আশা-আকাঙ্খাগুলো আড়াল করে,
যাকে নিজের জীবনের অর্ধেক অংশ নিবেদন করা যায় ।
কখনো তুমি প্রেমিকা,
যাকে না বলেও ভালোবাসার হাত ধরে দূর-দূরান্তে ছুটে চলে যাওয়া যায় ।।
শুধুমাত্র এই বিশেষ দিনে নয় তুমিই তো প্রতিদিনের সংগ্রামী নারী .......
Thursday, February 28, 2019
সনেট - জয়গান
আমার
একটি কবিতা বেশ কিছুদিন আগে প্রকাশিত করেছে উপকন্ঠ পত্রিকা... সময় অনুযায়ী
লেখাটা দিলাম - পাঠকের ভালো লাগলে আমার এই প্রচেষ্টা কিছুটা সফল হবে।
পায়ের তলায় জমি আজ কাঁপছে থরথর
গগনভদী চিৎকারেতে মানবতা জড়সড়
সন্ত্রাস আজ নিচ্ছে কেড়ে শান্তির বাতাবরণ
মাথার ছাদের ভগ্নদশায় স্তব্ধ মানবজীবন ...
সাধারণের জীবন যেন সুতোর উপর খাড়া
ভাঙন ধরে এলোপাথারি বইছে জীবনধারা
আঁধার থেকে আলোর পথে লড়াই চিরন্তন
নতুন ভাবে সমাজ গড়ার ভাবনা আমরণ
মিলিত হাতের শক্ত ভিতে সন্ত্রাস হবে ম্লান
বিশ্বশান্তি আসবেই ফিরে গাইবে জয়গান।
প্রকাশিত – উপকন্ঠ সাহিত্য পত্রিকা, ২০১৮
এই কবিতাটি আমি একটি সনেটের রুপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, তারও বেশ কিছুদিন আগে।
পায়ের তলায় জমি কাঁপে থরথর
গগনভেদী উল্লাসে হচ্ছি জড়সড়...
দাঙ্গার তরে অশান্তির বাতাবরণ
সাম্প্রদায়িকতায় স্তব্ধ মানবগণ...
জনজীবন যেন সুতোর মাঝে খাড়া
এলোমেলো ভাঙ্গনে বহে জীবনধারা
বিচ্ছিন্নতা-ভেদাভেদে চলে হানাহানি
নেতাগণের মদতে খুন-রাহাজানি।
জগৎমাতা আজ বড়ই উদাসীন,
মুখ ফিরিয়ে প্রকৃতি হচ্ছে বেরঙ্গীন।
আলো-আঁধারী পথ, লড়াই চিরন্তন
নব সমাজ গড়া, ভাবনা আমরণ
অজস্র হাত মিলে সন্ত্রাস হবে ম্লান,
বিশ্বশান্তি ফিরে সম্প্রীতির জয়গান।
জয়গান
রাজকুমার ঘোষপায়ের তলায় জমি আজ কাঁপছে থরথর
গগনভদী চিৎকারেতে মানবতা জড়সড়
সন্ত্রাস আজ নিচ্ছে কেড়ে শান্তির বাতাবরণ
মাথার ছাদের ভগ্নদশায় স্তব্ধ মানবজীবন ...
সাধারণের জীবন যেন সুতোর উপর খাড়া
ভাঙন ধরে এলোপাথারি বইছে জীবনধারা
আঁধার থেকে আলোর পথে লড়াই চিরন্তন
নতুন ভাবে সমাজ গড়ার ভাবনা আমরণ
মিলিত হাতের শক্ত ভিতে সন্ত্রাস হবে ম্লান
বিশ্বশান্তি আসবেই ফিরে গাইবে জয়গান।
প্রকাশিত – উপকন্ঠ সাহিত্য পত্রিকা, ২০১৮
এই কবিতাটি আমি একটি সনেটের রুপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, তারও বেশ কিছুদিন আগে।
জয়গান (সনেট)
রাজকুমার ঘোষ
পায়ের তলায় জমি কাঁপে থরথর
গগনভেদী উল্লাসে হচ্ছি জড়সড়...
দাঙ্গার তরে অশান্তির বাতাবরণ
সাম্প্রদায়িকতায় স্তব্ধ মানবগণ...
জনজীবন যেন সুতোর মাঝে খাড়া
এলোমেলো ভাঙ্গনে বহে জীবনধারা
বিচ্ছিন্নতা-ভেদাভেদে চলে হানাহানি
নেতাগণের মদতে খুন-রাহাজানি।
জগৎমাতা আজ বড়ই উদাসীন,
মুখ ফিরিয়ে প্রকৃতি হচ্ছে বেরঙ্গীন।
আলো-আঁধারী পথ, লড়াই চিরন্তন
নব সমাজ গড়া, ভাবনা আমরণ
অজস্র হাত মিলে সন্ত্রাস হবে ম্লান,
বিশ্বশান্তি ফিরে সম্প্রীতির জয়গান।
Monday, November 26, 2018
কবিতা - দাদার কবিতা
রাজকুমার ঘোষ -
আমার দাদা দারুণ রাগী…
ব্যস্ত ভীষণ কাজে ।
অবসরে কবিতা লেখেন,
বকেনা আজে বাজে ।
দাদা ভীষণ ধর্মভীরু,
ঠাকুর-দেবতা মানেন ।
তারই প্রভাব কবিতা মাঝে …
প্রায়ই টেনে আনেন ।
আমার দাদা অতি কট্টর
প্রেমের পূজারী নন ।
কাম্ নিয়ে তবুও লেখেন
প্রেমকে বিসর্জন ।
প্রথম দিকে দাদার লেখার…
আমি ছিলাম আসক্ত ।
দাদা এখন নামী কবি,
কিন্তু, কবিতা বোঝা শক্ত ।
রামধনু সাহিত্য পত্রিকা, বাঁকুড়া, ২০১৩ সাল
Subscribe to:
Posts (Atom)


















